১. গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করতে কার্যকর রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা গ্রহণ।
২. গুম ও রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনায় স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত কমিশন গঠন।
৩. ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর জন্য ন্যায়বিচার, ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা।
৪. বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডে জড়িত সকলের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ।
৫. রাষ্ট্রীয় বাহিনীর জন্য মানবাধিকারভিত্তিক জবাবদিহি কাঠামো প্রণয়ন।
৬. স্বাধীন বিচারব্যবস্থা ও আইনের শাসন নিশ্চিত করা।
৭. মতপ্রকাশ, সভা ও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা।
৮. রাজনৈতিক ভিন্নমতের কারণে কাউকে হয়রানি বা নিপীড়ন না করার নিশ্চয়তা।
৯. মানবাধিকার রক্ষাকারী ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
১০. গুম ও সহিংসতার ঘটনার জাতীয় স্মৃতি ও নথি সংরক্ষণ।
১১. নারীর নিরাপত্তা, মর্যাদা ও নেতৃত্ব নিশ্চিত করতে কার্যকর নীতি গ্রহণ। ১২. ভুক্তভোগী নারী ও শিশুদের জন্য বিশেষ আইনি ও মনোসামাজিক সহায়তা।
১৩. নাগরিক সমাজ ও মানবাধিকার সংগঠনের স্বাধীন কার্যক্রম নিশ্চিত করা।
১৪. আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সনদ ও চুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়ন।
১৫. জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার প্রক্রিয়ার সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার।
১৬. দায়মুক্তির সংস্কৃতি ভেঙে জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলা।
১৭. আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ক্ষমতার অপব্যবহার রোধে সংস্কার।
১৮. রাষ্ট্রীয় সহিংসতার শিকার পরিবারগুলোর সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা।
১৯. তরুণদের নাগরিক অধিকার ও রাজনৈতিক অংশগ্রহণে উৎসাহ দেওয়া।
২০. মানবাধিকার শিক্ষা ও সচেতনতা কর্মসূচি চালু করা।
২১. স্বাধীন নির্বাচন ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করা।
২২. নাগরিক ঐক্য ও সামাজিক সংহতি গড়ে তোলা।
২৩. রাজনৈতিক প্রতিহিংসার সংস্কৃতি পরিহার ও সহনশীলতা প্রতিষ্ঠা।
২৪. ডিজিটাল নিরাপত্তার নামে মতপ্রকাশ দমন বন্ধ করা।
২৫. তথ্যের অধিকার ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।
২৬. রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তে নাগরিক মতামতের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি।
২৭. মানবিক রাষ্ট্র গঠনে ন্যায়, সমতা ও মর্যাদার নীতি প্রতিষ্ঠা।
২৮. নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধানে রাষ্ট্রীয় দায় স্বীকার ও কার্যকর উদ্যোগ।
২৯. স্মৃতি, সত্য ও ন্যায়ভিত্তিক পুনর্মিলন প্রক্রিয়া চালু করা।
৩০. ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য মানবাধিকারবান্ধব বাংলাদেশ গড়ে তোলা।
৩১. একটি জবাবদিহিমূলক, গণতান্ত্রিক ও মানবিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা।